শিশুটিকে থেঁতলে দেয়ার পর হালিম বললেন, ‘মনের কষ্টে মারিছি’!

0
106

নিজ বাড়ির সামনে খেলছিল ৪ বছরের এনামুল হক মুসা (তালহা)। এসময় রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন আব্দুল হালিম। হঠাৎ শিশুটিকে লাথি মেরে মাটিতে ফেলে দেন তিনি। এরপর ভারী পাথর দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করতে থাকে পড়ে থাকা তালহাকে। আশপাশের লোকজন ছুটে আসার আগেই অন্তত পাঁচবার পাথর দিয়ে আঘাত করা হয় ছোট্ট শিশুটিকে। এতে তার মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন অংশ থেঁতলে যায়। রক্তে ভেসে যায় পিচের রাস্তা।

শুক্রবার (১১ ডিসেম্বর) দুপুরে সুনামগঞ্জ পৌরশহরের গুজাউড়া হাছননগরে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, তাৎক্ষণিকভাবে শিশুটিকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে পৌঁছালে চিকিৎসক জানান, শিশুটি পথেই মারা গেছে।

নিহত তালহা গুজাউড়া গ্রামের নুরুল হকের ছেলে। হত্যাকারী আব্দুল হালিমের বাড়ি সদর উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের মঈনপুর গ্রামে।

ঘটনার সময়ই স্থানীয় লোকজন আব্দুল হালিমকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। নৃশংস এ ঘটনার পর পুলিশের সামনেই জনরোষে পড়েন হালিম। শিশুটির উত্তেজিত স্বজনরা তার কাছে জানতে চান, কেন তাকে হত্যা করল সে? এ সময় একটি ইজিবাইকে বসিয়ে রাখা হালিম অসংলগ্ন কথাবার্তা বলতে থাকেন।

শিশুটির এক স্বজন তাকে পেট্রল ঢেলে আগুনে পুড়িয়ে দেয়ার হুমকি দিলে সে বলে, পুলিশে ফোন দাও।

শিশুটির এক চাচা জিজ্ঞাসা করেন, আমার ভাতিজাকে কেন মারলি? জবাবে হালিম বলেন, মারিছি, মনের কষ্টে মারিছি।

Print Friendly, PDF & Email