রংপুরের মিঠাপুকুরের বড় মির্জাপুর দঃ পাড়া গ্রামে মুক্তি যোদ্ধা সাইফুলকে হত্যা করে গোপনে দাফন!

0
186

মাননীয় প্রধান মন্ত্রী সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা

রংপুরের মিঠাপুকুরের বড় মির্জাপুর দঃ পাড়া গ্রামে মুক্তি যোদ্ধা সাইফুলকে হত্যা করে গোপনে দাফন

হেমন্ত টিভিঃ রংপুরের বড় মির্জাপুর দঃ পাড়া গ্রামে মুক্তি যোদ্ধা সাইফুল ইসলামকে হত্যা করে গোপনে দাফন করা হয়েছে দিনাজপুরে। প্রাপ্ত তথ্যে ও অনুসন্ধানে জানাগেছে, বড় মির্জাপুর গ্রামে জেএমবি সাজুগং ও জেএমবি জিকুগং এরা জামাত ও তাদের জেএমবি সাংঙ্গ পাংঙ্গরা মুক্তি যোদ্ধা সাইফুলের বসতবাড়ী ২০১৩ সালে দখল করে ও বিভিন্ন ভাবে অত্যাচার করে লেখে নেয়। ২০১৪ ইং সালে মুক্তি সম্প্রতি মাসে সাইফুলকে হত্যা করে গোপনে দাফন করেছে।

অনুসন্ধানঃ কিভাবে জেএমবি সাজুগং ও জিকুগং মুক্তি যোদ্ধা সাইফুলের বাড়ী ও জমি জবর দখল করে লেখে নেয় বিস্তারিত। ২০১৩ ইং সালে সম্প্রতি মুক্তি যোদ্ধা সাইফুলকে সাজুগং ও জিকুগং ইসলামের দাওয়াদ দিয়ে দিনাজপুরে বেড়িবাঁধ কাঁনা হাফেজের মোড় হঠাৎ পাড়ায় নিয়ে যায়, সেখানে সাজুগং ও জিকুগং এর পাতানো ধর্ম বোন সেকেন্দারের কন্যা খাদিজার সাথে জোর করে মুক্তি যোদ্ধা সাইফুল এর সাথে বিয়ে দেয়। মুক্তি যোদ্ধা সাইফুলকে বিবাহ দিয়ে সাইফুলের বসত বাড়ী ও বিভিন্ন জমি দখল করে, ও বাড়ী দখল করে সাইফুলের বিভিন্ন জমি বিক্রি করেছে সাজুগং ও জিকুগং। জিকু মুক্তি যোদ্ধা সাইফুলের সমস্ত কিছু জবর দখল করে সমানে সমান ভাগ দেয় সাজু গংদের। ২০১৪ ইং সালের সম্প্রতি সময় মুক্তি যোদ্ধা সাইফুলকে পুলিশের চাকুরী অবসর কোঃ ৫০৭ ভাতা ও মুক্তি যোদ্ধার ভাতার জন্য নির্যাতন করে পরে সাইফুল মারা গেলে দিনাজপুরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ছাড়াই গোপনে দাফন করেছে। মুক্তি যোদ্ধা সাইফুলকে হত্যা করে বর্তমান মুক্তি যোদ্ধা সাইফুলের মুক্তি যোদ্ধা এর ভাতা ও পুলিশের অবসর ভাতা ভোগ করছে। ১ম স্ত্রী ও সাইফুলের সন্তানরা রয়েছে অভাবে।

মুক্তি যোদ্ধা সাইফুল এর হত্যাকারী সাজুগং ও জিকুগংদের আমল নামাঃ

১) বড় মির্জাপুরের আবুল কালাম এর পুত্র সাজু জামাত ও জেএমবি মাদক ব্যবসায়ী। বর্তমান সদ্দবেশী গরুর ডাক্তার সেজেছে, সাজু পাঠ্য পুস্তক শিক্ষা বিহীন।

২) মৃত আব্বাসের পুত্র জেএমবি জিকু কোটিপতি বর্তমান আংঙ্গুল ফুঁলে কলাগাছ। ১৯৯৬ সালে কাঁধে ভাড়ে করে বুট বাদাম ব্যবসা করা সেই জিকু ২ বেলা ঠিকমত পেট ভরে ভাত খেতে পেতনা সেই এখন মুক্তি যোদ্ধা সাইফুলের বসত বাড়ী দখল কারী ও হত্যাকারী। বর্তমান জিকুর পেশা চোরাকারবারী।

৩) মৃত হামিদের পুত্র রাজাকার মকু বিশিষ্ট দাদন ব্যবসায়ী, জামাত এর এমপি পদপার্থী মোজাফফর এর ভাগিনা।

৪) সুদ ব্যবসায়ী মকুর ছোট ভাই ফেন্সিডিল ব্যবসায়ী মিলন। চোরাকারবারী জিকুর পাটনার।

৫) মৃত আব্বাসের পুত্র রিজু জামাত কর্মী ও চোরাকারবারী।

৬) মৃত আব্বাসের পুত্র মিলন চোরাকারবারী

৭) মৃত আব্বাসের পুত্র রবিউল জেএমবি চোরাকারবারী।

৮) ভূমিদস্যু গোলজারের পুত্র পাভেল মুক্তি যোদ্ধা সাইফুলের ছেলে সাংবাদিক শামীমকে অপহরন করেছিলো। মিঠাপুকুর থানার মামলা নং ১৯/৪১৫ তারিখ ১৫/১০/০৮ ইং।

৯) ভূমি দস্যু গোলজার মুক্তি যোদ্ধা সাইফুলের জমি দখল কারী।

১০) ছোটমির্জাপুর পীরগঞ্জের দাফাদারের পুত্র বিএনপি সন্ত্রাসী পাভেল গং জিকুর চোরাকারবারী দেখভাল করে।

১১) সাজুর পুত্র চিটিংবাঁজ জামাত সাগর ও সেচরা চোর।

১২) ছোট মির্জাপুরের গাঁজা ব্যবসায়ী মৃত হালিমের পুত্র মাদক ব্যবসায়ী ফুলু বুলু মাদক ব্যবসায়ী ও মুক্তি যোদ্ধা সাইফুলের পরিবারকে হামলা করে।

১৩) শান্তিপুরের মৃত মান্নান ডাকাতের পুত্র সাবেক সে সময়ের ইউপি সদস্য শাহআলম। এই শাহ আলম ইউপি সদস্য থাকা সময় মুক্তি যোদ্ধা সাইফুলের বসত বাড়ীর উপড় হামলা করতে নির্দেশ দেয়। বর্তমান শাহ আলম চোরাকারবারী।

১৪) এক নামে পরিচিত শঠিবাড়ীর ফেন্সি ব্যবসায়ী পোঁচা হামলা কারী।

১৫) ছোট মির্জাপুরের পোঁচা ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী হামলা করী।

১৬) শঠিবাড়ীর সন্ত্রাসী স্বাধীন গং হামলা কারী, বর্তমান চোরাকারবারী।

উল্লেখিত জিকু গং ও সাজুগংদের নামে অনেক অভিযোগ ও মামলা রয়েছে।
২৬/০৯/০৮ ইং মিঠাপুকুর থানায় মুক্তি যোদ্ধা সাইফুলের বড় ছেলে সাংবাদিক শামীমকে অপহরন করার মামলা রয়েছে মামলা নং ১৯/৪১৫, উল্লেখিতদের নামে মিঠাপুকুর থানায় জিডি ১৮/০৪/২০০৬ ইং জিডি নং ৬৮৭ ও ৫/৮/০৮ ইং তারিখে আরেকটি জিডি, জিডিনং ১৯৭,
১৮/৪/০৬ইং আরেকটি জিডি, ২৪/২/০৮ইং রংপুর পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ। সিরাজগঞ্জেও নারী নির্যাতন বিষয়ে মামলা হয় সিআর নং ৩৪০/১২ইং পিটিসন নং ৯০/১২। রংপুরে ২৯/১০/২০০৭ইং রংপুর রিপোর্টাস ক্লাব বাটালেনে সাংবাদিক সম্মেলন করে ভূক্তভোগী, কিন্তু দুঃখের বিষয় জাতির বিবেক সাংবাদিকরা জিকু গংদের টাকার কাছে বিক্রী হয় তাই কনো সংবাদ প্রকাশ হয়নাই। তৎকালীন ওসি আরমান ও তার তদন্ত ওসি কনো প্রকার সাহায্য করেনি, ওসি জিকু গংদের পক্ষে কাজ করেছে, তার তদন্ত ওসি একই কাজ করেছে। ভোক্ত ভোগী মলা করার পর উল্লেখিক সাজুগং জিকু গংরা ধারালো অস্ত্র নিয়ে মুক্তি যোদ্ধা সাইফুলের স্ত্রী ও সন্তান্দের বাড়ির গেটে ও রাস্তায় দাড়িয়ে থাকত যাতে করে মুক্তি যোদ্ধ সাইফুলের স্বজনরা কোর্টে যেতে নাপারে।
বিষয়টি মাননীয় প্রধান মন্ত্রী সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপ কামনা করছি। আমাদের অনুসন্ধান আরো চলবে!………

Print Friendly, PDF & Email