নাজনিন সরওয়ার কাবেরী সাধারন মানুষের সম্মান অর্জনে বহু দুর এগিয়ে গেছেন!

0
191

কক্স বাজারের সাম্প্রতিক কিছু ঘটনা নিয়ে নাজনিন সরওয়ার কাবেরী সাধারন মানুষের সম্মান অর্জনে বহু দুর এগিয়ে গেছেন।

হেমন্ত টিভিঃ
———————————————————————
আজকে লিখতে বাধ্য হলাম যে, মানুষ বিনা খরচে নিজের জ্ঞান, প্রজ্ঞা, সততা দিয়ে সাধারন মানুষের ভাল বাসা কি ভাবে জয় করা বা পাওয়া যায় তিনি নুতুন করে আরো একবার প্রমান করে দিলেন। সর্ব প্রথম বলতে চাই, উনার সাথে আমার কোন দিন দেখা হয়নি।আমি তার রাজনৈতিক আদর্শ ও করি না । তার পরে ও গত কয়েক বছর তার বিভিন্ন ভিডিও ফেসবুকে এবং ইউটিউবে দেখার সুযোগ হয়েছে। প্রথম দিকে তিনি গ্রামের নির্যাতত মানুষের পাশে দাডিয়ে তাদের সাক্ষাতকার নিতেন। এই সাক্ষাতকার গুলো স্হানীয় ইউনিয়ন পরিষদ থেকে শুরু করে জেলা পরিষদ পর্যন্ত আলোচনা ও সমালোচনার জড় উঠতো । তার এই সব ভুমিকা নিয়ে অনেকের মনে প্রশ্নের জাগ্রত করতো ! আমি ও প্রথমে ভাবতাম তিনি যাহা করতেছেন এই সব ইউনিয়ন পরিষদের কাজ । কিন্তু পরে এনালাইজ্ড করে যত টুকু অনুধাবন করলাম যে, গত ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা পরিষদের একতরফা নির্বাচনের কারনে অনেক অযোগ্য লোক ক্ষমতায়ান হয়ে, তাদের পরবর্তী কার্যক্রম নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ ছিল ? এই সব অনিবার্চিত চেয়ারম্যান ও আইন শৃংখলা বাহিনীর সহযোগীতায় বির্তকিত কার্যক্রমের ফলে সমাজে অনেক মানুষ নির্যাতিত হয়ে আসছিল। ককস্ বাজার জেলায় কিছু বির্তকিত লোক আইন শৃংখলা বাহিনীর সহযোগীতায় একের পর এক অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছিলেন। ককস্ বাজারে রাজনৈতিক দলের বড় বড় পদ ধারী নেতারা এই সবের দিকে খেয়াল রাখেননি। অত্যন্ত প্রজ্ঞার অধিকারি নাজনীন সরওয়ার কাবেরীর চোখকে ফাকি দিতে পারেননি। তিনি সময় মত গর্জে উঠে নির্যাতিত মানুষের পাশে দাডিয়ে তাদের প্রতিকার চেয়ে আসছিলেন। আজ তার অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতি বাদী কন্ঠ সারা বিশ্বে সাড়া ফেলেছে। নাজনিন সরওয়ার কাবেরীর কন্ঠস্বর আজ প্রতিবাদের ভাষা ও শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। তিনি, নির্যাতিত সাংবাদিক সিরাজুল মোস্তফার মুক্তির জন্য অগ্রজ ভুমিকা পালন করেছেন। আইন বর্হিভুত ক্রসফায়ের বিরুদ্ধে তার অবস্হান বেশ শক্ত। যে সব পুলিশ অপরাধের সাথে জড়িত তাদেরকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জন্য তিনি আন্দোলনে লিপ্ত রয়েছেন। তিনি সাবেক মেজর সিংহার মোহাম্মদ রাসেদ খান এর হত্যা কারীদের বিচার দাবী করে আসছেন। এ ছাড়া তিনি অনেক নির্যাতিত মানুষের পাশে দাডিয়েছেন। তার এই সব মানবিক কাজ করার কারনে তিনি নিজেকে এক জন মানবতা বাদী নেএী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। অন্যদিকে ককস্ বাজারে সরকারি দল এবং বিরোধী দলের অনেক বড় বড় নেতাদের বর্তমান ভুমিকা প্রশ্ন বিদ্ধ। যেখানে একজন সাংগঠনিক সম্পাদক কাবেরী সফল, সেখানে অনেক বড় বড় নেতারা ব্যর্থতার দায় এডাইতে পারেন কি ? সর্ব শেষ কাবেরীকে বলতে চাই, আপনার এম, পি ও মন্ত্রী হওয়ার দরকার নেই। আপনি মানুষের পাশে থাকেন, মানুষ আপনাকে সারা জীবন মনে রাখবে এবং সম্মান দিবে।

Print Friendly, PDF & Email